২ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার পুর্ণ করলেন তৌহিদ আফ্রিদি

২ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার পুর্ণ করলেন তৌহিদ আফ্রিদি

২ মিলিয়ন অর্থাৎ ২০ লাখ সাবস্ক্রাইবার পার করলেন তৌহিদ আফ্রিদি। আজ ২৬ জুন, ২০১৯ তারিখে তাঁর চ্যানেল এই মাইলস্টোন অর্জন করে। ২০১৫-২০১৯ এই কয়েক বছরেই তিনি ২ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার অর্জন করতে সক্ষম হন।

বাংলাদেশের প্রথম ইউটিউবার হিসেবে তিনি ২ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার পুর্ণ করলেন।

তৌহিদ আফ্রিদি কোয়াকাটায় তাঁর নতুন নাটক বরিশাইল্লা মনু ৪ এর শুটিং এর কাজে ব্যাস্ত ছিলেন। পরে ঢাকায় তাঁর মাইটিভির অফিসে আসার পরেই তাকে তাঁর টিএ ফ্যামিলির মেম্বাররা সারপ্রাইজ দেয় এবং সবাই মিলে তখন ২ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার উদযাপন করে। এ সময় তাঁর টিএ ফ্যামিলির মেম্বারগণ হায়াত মাহমুদ রাহাত, জাকারিয়া, সীমান্ত, ফয়সাল, পিয়াল, নিরব মেহরাজ, পিয়াস সকলেই উপস্তিত ছিলেন। তাঁর অফিস পুরোটাই ছিলো সাজানো এবং সবাই মেতে ছিলো হই হুল্লোড়ে।

তৌহিদি আফ্রিদির ২ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার উদযাপনের সময় তিনি সবার আগে তাঁর মা-বাবা কে ধন্যবাদ জানান এবং তিনি বলেন "তিনি যদি শো অফ করেন এবং তাঁর এই শো অফে যদি অন্য কারো উপকার হয় তাহলে তিনি অবশ্যই শো অফ করবেন"। সবশেষে তিনি তাঁর সাবস্ক্রাইবার ও ফ্যানদের এবং তাঁর টিএ ফ্যামিলির মেম্বারগণকে ধন্যবাদ জানান।

আসছে ২৮ জুন, শুক্রবার রাত দশটায় তাঁর চ্যানেলে বরিশাইল্লা মনু ৪ নাটকটি আপলোড করা হবে।

তৌহিদ আফ্রিদির ইউটিউব চ্যানেলে যেতে এখানে ক্লিক করুন

জিমেইল একাউন্ট ও গুগল একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

জিমেইল একাউন্ট ও গুগল একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম

জিমেইল একাউন্ট খোলা খুবই সহজ। মাত্র কয়েক মিনিটেই একটি জিমেইল একাউন্ট বা গুগল একাউন্ট খোলা যায়। এই পোস্টে gmail account খোলার নিয়ম বা google account খোলার নিয়ম বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এই পোস্টটি পড়ে আপনি সহজেই একটি জিমেইল একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।
এই পোস্ট থেকে যা জানতে পারবেন
  • ইমেইল একাউন্ট কী?
  • জিমেইল একাউন্ট কী?
  • জিমেইল বা গুগল একাউন্ট দিয়ে যা যা করা যায়
  • জিমেইল একাউন্ট বা গুগল একাউন্ট খোলার নিয়ম

ইমেইল একাউন্ট কী?

ইমেইল এর পুর্ণরুপ হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক মেইল। সোজা কথায়, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চিঠি প্রেরণের  উপায়ই হচ্ছে ইমেইল। তবে এখন ইমেইলের ব্যাবহার শুধুমাত্র চিঠি বা বার্তা পাঠানোর মধ্যেই  সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে অনেক গুরুত্তপুর্ণ কাজে ইমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয়। গুগল, ইয়াহু,  মাইক্রোসফট ইত্যাদি প্রতিষ্টান মেইল সার্ভিস প্রদান করে থাকে। তবে গুগলের মেইল সার্ভিস  প্রদানকারী প্রতিষ্টান জিমেইল সবচেয়ে জনপ্রিয়। একটি ইমেইল একাউন্ট খোলার পরে ঐ ইমেইল  একাউন্টের একটি ইমেইল এড্রেস থাকে যে এড্রেসে অন্য কেউ ইমেইল পাঠায়। ইমেইল এড্রেসের  সাধারণ গঠনঃ ব্যাবহারকারীর নাম@সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্টানের নাম। যেমনঃ  youtubeinfo.net@gmail.com, youtubeinfo.net@yahoo.com, youtubeinfo.net@hotmail.com। তবে  ব্যাবহারকারীর নাম ও মেইল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্টানের নাম ইংরেজিতে হতে হবে।

জিমেইল একাউন্ট বা গুগল একাউন্ট তৈরির সুবিধা

জিমেইল হচ্ছে গুগলের একটি মেইল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্টান। জিমেইল একাউন্ট বা গুগল  একাউন্ট তৈরির সুবিধা অনেক। এ একাউন্টের মাধ্যমে অনেক কিছু করা যায়। গুগলের বিভিন্ন  সার্ভিস বা সেবা গ্রহণের জন্য জিমেইল একাউন্টের প্রয়োজন হয়।

গুগল একাউন্ট বা জিমেইল একাউন্ট দিয়ে যা করা যায়

  • ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা যায়
  • গুগল ড্রাইভে ফাইল সংরক্ষণ করা যায়
  • গুগল প্লে স্টোর থেকে গেমস ও এপস ডাউনলোড করা যায়
  • ব্লগারে ওয়েবসাইট খোলা যায়
  • গুগল এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করা যায়
উপরোক্ত কাজগুলো এবং গুগলের আরও বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য জিমেইল একাউন্ট খোলা  অবশ্যই প্রয়োজন।

জিমেইল বা গুগল একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

এখন আমরা gmail account খোলার নিয়ম দেখব। নতুন জিমেইল একাউন্ট খোলার জন্য এখানে  ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পরে নিচের ছবির মতো একটি উইন্ডো আসবে।
নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরির ফর্ম

এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে নতুন একটি জিমেইল একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন।

ধাপ-১

নিচের ছবিতে দেখানো প্রথম বক্সে আপনার প্রথম নাম এবং দ্বিতীয় বক্সে আপনার শেষ নাম দিন।  অর্থাৎ আপনার পুরোনামটি ঐ দুটি বক্সে লিখবেন। মানে ঐ দুটি বক্সে যা লিখবেন তা মিলে যেন  আপনার পুরো নাম হয়। ধরুন, আপনার নাম Shakib Al Hasan । এখন প্রথম বক্সে Shakib এবং  দ্বিতীয় বক্সে Al hasan লিখবেন।
জিমেইল একাউন্ট তৈরির প্রথম ধাপ-১ঃ নাম

ধাপ-২

বার আপনি যদি নতুন একটি জিমেইল এড্রেস খুলতে চান তাহলে উপরের বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী  নতুন একটি জিমেইল এড্রেস দিন নিচের বক্সে।
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপ-২ঃ ইমেইল এড্রেস ইউজারনেম দেওয়া

তবে এখানে শুধু নাম (ইউজারনেম) দিবেন। অর্থাৎ shakibalhasan এরকম দিবেন,  shakibalhasan@gmail.com এরকম দিবেন না। যদি ইমেইল এড্রেস দিতে সমস্যা হয় তাহলে উপরে  ইমেইল একাউন্ট কী এই অংশটুকু পড়ে নিন। আপনার দেয়া নাম যদি ব্যাবহার করা হয়ে যায়  তাহলে  নিচের ছবির মতো লেখা আসবে। তখন আপনাকে এমন একটি নাম দিতে হবে যেটি আগে  ব্যাবহার করা হয়নি। যতক্ষণ ইমেইল এড্রেসের ব্যাবহারকারীর নাম সঠিক হচ্ছে না ততক্ষণ চেস্টা  করতে থাকুন।


ইউজারনেম ব্যাবহার হয়ে গেলে এরর

আর যদি আপনার আগে তৈরি করা কোন ইমেইল এড্রেস দিয়ে গুগল একাউন্ট তৈরী করতে চান  তাহলে Use my current email address instead লেখায় বা নিচের ছবিতে দেখানো লেখায় ক্লিক  করবেন।


পুর্বে তৈরি করা ইমেইল দিয়ে গুগল একাউন্ট তৈরির ধাপ

তারপরে এরকম আসবে এখানে আপনার আগে তৈরি করা কোন ইমেইল এড্রেসটি দিবেন।

এখানে সেই ইমেইল এড্রেস দেওয়া

ধাপ-৩

নিচের দেখানো বক্স দুটির প্রথম বক্সে আপনার নতুন জিমেইল বা গুগল একাউন্টের জন্য পাসওয়ার্ড  দিন। দ্বিতীয় বক্সেও প্রথম বক্সে দেওয়া একই পাসওয়ার্ড দিন। পাসোয়ার্ড বর্ণ, সংখ্যা এবং চিহ্নের  সমন্বয়ে কমপক্ষে আটটির হতে হবে।
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপ-৩ঃ পাসওয়ার্ড
নিচের ছবিতে দেখানো যায়গায় ক্লিক করে আপনার দেওয়া পাসোয়ার্ড চাইলে দেখে নিতে পারেন।

গুগল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপ-৩ঃ পাসওয়ার্ড দেখা

ধাপ-৪

এবারে Next লেখায় ক্লিক করতে হবে।
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপ-৪

Next লেখায় ক্লিক করার পরে নিচের ছবির মতো দেখাবে।

ধাপঃ৪

ধাপ-৫

Phone number (optional) লেখা প্রথম বক্সে ফোন নাম্বার বা মোবাইল নাম্বার (সিম নাম্বার) দিবেন। এই  ফোন নাম্বার দিয়ে জিমেইল একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে ঐ একাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা যাবে।
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপঃ ৫
Recovery email address (optional) লেখা দ্বিতীয় বক্সে পুনরুদ্ধার করার জন্য ইমেইল এড্রেস দিতে  হবে। অর্থাৎ যদি আপনি আপনার জিমেইল একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে যান তাহলে ঐ একাউন্টটি  পুনরুদ্ধার করার জন্য দ্বিতীয় বক্সে দেওয়া ইমেইল এড্রেস দিয়ে পুনরুদ্ধার করতে হবে।


ধাপ-৫ঃ রিকোভারি ইমেইল এড্রেস দেওয়া

উপরের বক্স দুটিতে ফোন নাম্বার ও একাউন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য ইমেইল এড্রেস না দিলেও চলবে।  তবে জিমেইল একাউন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য এই দুটি তথ্য দেওয়া প্রয়োজন।

ধাপ-৬

এই তিনটি বক্সে আপনার জন্ম তারিখ দিতে হবে। প্রথমটি আপনার জন্মদিন, দ্বিতীয়টিতে মাস এবং  তৃতীয়টিতে জন্ম সাল দিতে হবে।
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপঃ৬

ধাপ-৭

এখানে আপনার লিঙ্গ দিতে হবে। এই বক্সে ক্লিক করে আপনি পুরুষ হলে Male, মহিলা হলে Female  এ ক্লিক করবেন।
গুগল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপ-৭ঃ লিঙ্গ

এবার Next এ ক্লিক করবেন।

ধাপ-৭


ধাপ-৮

ধাপ-৫ এ দেয়া আপনার ফোন নাম্বার ভেরিফাই ( যাচাই) করতে চাইলে Send এ ক্লিক করবেন। আর  ভেরিফাই করতে না চাইলে Not now এ ক্লিক করবেন।
gmail account খোলার নিয়ম ধাপঃ৮


Send এ ক্লিক করার পরে আপনার ফোন নাম্বারে মেসেজের মাধ্যমে যাচাইকরণ কোড আসবে। এই  ৬ সংখ্যার যাচাইকরণ কোড Enter verification code লেখায় যায়গায় দিন। তারপরে Verify লেখায়  ক্লিক করবেন। আর যদি কলের মাধ্যামে যাচাইকরণ কোড পেতে চান তাহলে Call instead লেখায়  ক্লিক করবেন। Call instead লেখায় ক্লিক করার পরে আপনার মোবাইলে একটি কল আসবে যেখানে  যাচাইকরণ কোড বলবে।

ধাপঃ৮

 ধাপ-৯

 Verify এ ক্লিক করার পরে Yes, I'm in অথবা Skip এ ক্লিক করবেন।
জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম ধাপ-৯


 এবার নিচের ছবির মতো আসবে। এগুলো টার্মস এন্ড কন্ডিশন্স। আপনি চাইলে এগুলো পড়ে নিতে   পারেন।

ধাপ-৯

 এবার স্ক্রল ডাউন করে করে টার্মস এন্ড কন্ডিশন এর একেবারে নিচে আসতে হবে এবং I agree তে   ক্লিক করতে হবে। আপনার জিমেইল একাউন্ট তৈরির কাজ সম্পন্ন করার জন্যে অবশ্যই I agree তে   ক্লিক করতে হবে, Cancel এ ক্লিক করবেন না।

গুগল একাউন্ট খোলার নিয়ম- ধাপঃ৯


I agree তে ক্লিক করার পরে নতুন একটি পেজে নিয়ে যাবে এবং আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

আশা করি এই ব্লগটি সম্পুর্ণ পড়ার পরে আপনি নতুন একটি জিমেইল একাউন্ট তৈরি   করতে সক্ষম হবেন। আর যদি আপনি নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরিতে ব্যার্থ হন বা এই  ব্লগের কোন অংশ বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে দয়া করে কমেন্ট করে জানাবেন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন যেভাবে (বিস্তারিত)

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন যেভাবে (বিস্তারিত)
featured-image

যত দিন যাচ্ছে ততই ইউটিউব ব্যাবহারকারীরও সংখ্যা বাড়ছে, পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেলের সংখ্যাও বাড়ছে। একটি ভালো মানের চ্যানেল তৈরি করে অনেক বড় অঙ্কের অর্থও উপার্জন করা যায়। তবে ইউটিউব চ্যানেল দুই ভাবে তৈরি করা যায়। একটি হলো গুগল একাউন্ট দিয়ে এবং অপরটি হলো ইউটিউব বিজনেস বা ব্রান্ড একাউন্টের মাধ্যমে। এই পোস্টে এই দুটি পদ্ধতিতে কিভাবে চ্যানেল তৈরি করবেন তা বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি কিভাবে এন্ড্রোয়েড, আইফোন এবং কম্পিউটারে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন তাও আলোচনা করা হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে যা প্রয়োজন

ইউটিউব চ্যানেল খুলতে গেলে কোন টাকা পয়সার প্রয়োজন পড়ে না। বিনামুল্যেই একটি চ্যানেল খোলা যায়। তবে একটি চ্যানেলের জন্য ভালো মানের ভিডিও তৈরি করার জন্য হয়তো কিছু ডিভাইস যেমনঃক্যামেরা, মাইক্রোফোন ইত্যাদির প্রয়োজন হতে পারে। একটি গুগল একাউন্ট দিয়েই খুব সহজে অনেকগুলো চ্যানেল তৈরি করা যায়। একটি গুগল একাউন্ট দিয়ে একটিই চ্যানেল তৈরি করা যায়, তবে গুগল একাউন্ট দিয়ে একটি ইউটিউব ব্রান্ড একাউন্ট তৈরি করে একটি একাউন্ট দিয়েই অনেকগুলো চ্যানেল তৈরি করা যায়।

কিভাবে গুগল একাউন্ট দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন

কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে চ্যানেল তৈরির উপায়

১। প্রথমে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে ইউটিউব.কম এ গিয়ে সাইন ইন করতে হবে।

সাইন-ইন

আর যদি এখনো গুগল একাউন্ট থাকে না বা তৈরি না করেন তাহলে পড়ুনঃ জিমেইল একাউন্ট ও গুগল একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

২। তারপরে ইউটিউবের ওয়েবসাইটের টপ রাইট বারে ইউটিউব চ্যানেলের আইকনে ক্লিক করতে হবে।

টপ-রাইটবার-আইকন

এবার Your channel এ ক্লিক করতে হবে।

কিভাবে-ইউটিউব-চ্যানেল-তৈরি-করবেন

৩। এবার নিচের দেখানো দুটি বক্সের প্রথম বক্সে আপনার প্রথম নাম এবং ২য় বক্সে আপনার শেষ নাম লিখতে হবে অর্থাৎ আপনার চ্যানলের নাম দুটি শব্দের হতে হবে যার প্রথম শব্দ ১ম বক্সে ও ২য় বক্সে ২য় শব্দ লিখতে হবে। দুটি বক্সে নাম লিখার পরে CREATE CHANNEL এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পরেই আপনার
চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে।

নাম-বক্স

মোবাইলে চ্যানেল তৈরির ধাপসমুহ

এন্ড্রোয়েড বা আইফোনে চ্যানেল তৈরির জন্য প্রথমে ইউটিউব এপ এ ঢুকতে হবে।
১.  এপে গিয়ে তীর চিহ্ন দিয়ে নির্দেশিত জায়গায় ক্লিক করতে হবে।


মোবাইলে-ইউটিউব-চ্যানেল-খোলার-ধাপঃ১

২. যদি ইউটিউব এ আপনার জিমেইল একাউন্ট বা গুগল একাউন্ট দিয়ে সাইন ইন না করা হয়ে থাকে তাহলে সাইন ইন করে নিন।  আর আপনি যদি গুগুল একাউন্ট এখনো তৈরি করেন না তাহলে নতুন একটি গুগল একাউন্ট তৈরে করে নিন।


সাইন-ইন


৩.  সাইন ইন করা হয়ে গেলে নিচের ছবিতে দেখানো যায়গায় ক্লিক করবেন।


ইউটিউব-চ্যানেল

৪. এবার My Channel লেখায় ক্লিক করতে হবে বা নিচের ছবিতে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখানো যায়গায় ক্লিক করবেন।


মোবাইলে-ইউটিউব-চ্যানেল-খোলার-ধাপঃ৪


৫. এবার নিচের দেখানো দুটি বক্সের প্রথম বক্সে আপনার প্রথম নাম এবং ২য় বক্সে আপনার শেষ নাম লিখতে হবে অর্থাৎ আপনার চ্যানলের নাম দুটি শব্দের হতে হবে যার প্রথম শব্দ ১ম বক্সে ও ২য় বক্সে ২য় শব্দ লিখতে হবে।


কিভাবে-ইউটিউব-চ্যানেল-তৈরি-করবেন

৬. এখন Create channel লেখায় ক্লিক করতে হবে।


মোবাইলে-ইউটিউব-চ্যানেল-খোলার-নিয়ম

ব্যাস, আপনার নতুন চ্যানেল তৈরি হয়ে গেলো।

ইউটিউব ব্রান্ড একাউন্ট দিয়ে চ্যানেল তৈরি

১।  www.youtube.com এ গিয়ে রাইট টপ বারে চ্যানেল আইকনে ক্লিক করে Your channel এ ক্লিক করতে হবে।

ইউটিউব-চ্যানেল

তারপরে Use a business or other name এ ক্লিক করতে হবে।

কিভাবে-ইউটিউব-ব্রান্ড-একাউন্ট-দিয়ে-চ্যানেল-খুলবেন

২। বক্সে যেকোন নাম লিখে (নাম এক শব্দের হলেও হবে) Create এ ক্লিক করতে হবে। এই ব্রান্ড একাউন্টের নামেই একটি চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এই ব্রান্ড একাউন্ট দিয়েই অনেকগুলো
চ্যানেল তৈরি করা যাবে।

কিভাবে-ইউটিউব-চ্যানেল-তৈরি-করবেন


এই লেখাটি পড়ার পরেও যদি আপনার কোন সমস্যা থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন আর আপনার অন্য কোন প্রশ্ন থাকলেও কমেন্টে জানাতে পারেন।

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেট করার ২টি উপায়

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেট করার ২টি উপায়

বিকাশের পিন ভুলে গেলে বা লক হলে পিন রিসেট কেন করবেন?

আমরা যখন বিকাশ অ্যাপ এ আমাদের নাম্বার দিয়ে লগইন করতে চাই তখন বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার দেওয়া লাগে এবং এই পিন নাম্বার কয়েকবার ভুল ইনপুট দেওয়ার কারণে পিন লক হয়ে যায়। এছাড়াও অন্য কোন উপায়ে হয়তো পিন লক হয়ে যায়। পিন লক হয়ে গেলে বিকাশের বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস যেমনঃ সেন্ড মানি, ক্যাশ আউট, রিচার্জ, ক্যাশ ইন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় না। এছাড়াও আমরা অনেক সময় আমাদের বিকাশের পিন ভুলে যাই। উপরোক্ত সকল সমস্যার সমাধানই হচ্ছে বিকাশ একাউন্টের পিন রিসেট করা। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন রিসেট করবেন।

পিন রিসেটের জন্য দুইটি পদ্ধতি রয়েছে। যথাঃ
১। বিকাশ কাস্টমার সার্ভিসে কল করে যোগাযোগের মাধ্যমে
২। বিকাশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট করে

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেটের পদ্ধতি-১ঃ কাস্টমার সার্ভিসে কল করে

বিকাশের কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করার জন্য ১৬২৪৭ এ কল করতে হবে। ১৬২৪৭ এ কল করার  পরে আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য বিভিন্ন সংখ্যা চাপতে বলা হবে। আপনি এসব শুনে বিকাশ কাস্টমার সার্ভিসের এজেন্টের সাথে কথা বলার জন্য নির্দিস্ট সংখ্যা চাপবেন। তারপরে ওই প্রতিনিধিকে আপনি আপনার পিন রিসেট করার কথা বলবেন। বিকাশ কাস্টমার সার্ভিসের ওই এজেন্ট আপনার কাছে আপনার কিছু তথ্য যেমনঃ আপনার পরিচয়পত্রের(NID) নাম্বার, আপনার নাম, আপনার একাউন্টের বর্তমান ব্যালেন্স, সর্বশেষ ক্যাশ আউট বা ক্যাশ ইন ইত্যাদি জানতে চাইবে। উপরোক্ত সকল বিষয়ই হয়তো জানতে চাইবে না, এর মধ্যে কিছু বিষয় জানতে চাইবে অথবা অন্য কিছু জানতে চাইবে। তখন আপনি ওই প্রতিনিধির জানতে চাওয়া বিষয়গুলো বলবেন। তারপরেই আপনার সিম নাম্বারে একটি অস্থায়ী পিন সম্বলিত মেসেজ আসবে।

তারপরের ধাপগুলো হলোঃ
১। *২৪৭# এই নাম্বারে ডায়াল করবেন।
২। এবার মাই বিকাশ অপশনের জন্য ৭ লিখে সেন্ড করবেন।
৩। তারপরে চেঞ্জ মোবাইল মেনু পিন এর জন্য ৩ লিখে সেন্ড করবেন।
৪। এবার আপনার মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে আসা পিন নাম্বারটি লিখে সেন্ড করবেন।
৫। নতুন পিন লিখে সেন্ড করুন। এরপরে পিনটি কনফার্ম করার জন্য আবার পিনটি লিখে সেন্ড করবেন।

নতুন পিন দেওয়ার শর্ত

১। নতুন পিন নাম্বারে সর্বশেষ অর্থাৎ পুরাতন পিন নাম্বারের যেকোন তিনটি নাম্বার থাকতে পারবেনা। ২। নতুন পিন নাম্বারে একই নাম্বার দুইবার থাকতে পারবেনা। যেমনঃ ১ দুইবার থাকতে পারবেনা। উদাহরণঃ ধরি, পুরাতন পিন নাম্বার ৩৪৭৫৬
অতএব, নতুন পিন নাম্বার ১৬২৯৭।

আপনার পিন রিসেট এর কাজ শেষ। এবার এই পিন নাম্বার দিয়ে আপনি আপনার সকল কাজ কর্ম করবেন।

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেটের পদ্ধতি-২ঃ বিকাশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট করে

বিকাশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পরে নিম্নের ছবির মতো একটি উইন্ডো আসবে। এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনার পিনটি রিসেট করে নিন।
বিকাশ লাইভ চ্যাট উইন্ডো
বিকাশ লাইভ চ্যাট উইন্ডো

ধাপ-১

বিকাশ লাইভ চ্যাটের উইন্ডোর মধ্যে নিচের ছবিতে দেখানো জায়গায় ১ চিহ্নিত বক্সে আপনি আপনার নাম, ২ চিহ্নিত বক্সে আপনার মোবাইল নাম্বার ও এরপরে ৩ চিহ্নিত Start Chat লেখা বাটনে ক্লিক করুন। তবে এখানে আপনার বিকাশ একাউন্ট যে নাম্বার দিয়ে খুলেছেন সেই নাম্বার ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম দেওয়া ভালো।
বিকাশ পিন রিসেট করার উপায়

তারপরে এরকম একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে।

বিকাশের পিন কোড লক হলে পিন রিসেট করার উপায়

অথবা চ্যাট করার জন্য এরকম একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে।

বিকাশের পিন কোড ভুলে গেলে পিন রিসেট করার উপায়

এবার ধাপ-২ এ চলে যান।

ধাপ-২

চ্যাট এর উইন্ডো আসার পরে আপনি এখানে একজন বিকাশ এজেন্টের সাথে চ্যাট করার সুযোগ পাবেন। এখন আপনি আপনার সমস্যার কথা বলবেন ওই এজেন্টকে।

রিসেটের ক্ষেত্রে যা বলবেনঃ
১। প্রথমে আপনি বলবেন যে আপনার পিন রিসেট করতে চান।
২। এরপরে আপনি যে নাম্বার দিয়ে চ্যাট করছেন সেই নাম্বারটির পিন রিসেট করতে চান কিনা তা ওই এজেন্ট জানতে চাইবে। আপনি যদি সেই নাম্বার দিয়েই চ্যাট করেন তাহলে হ্যা বলবেন। আপনি যেই নাম্বার রিসেট করতে চান সেই নাম্বার দিয়ে চ্যাট করুন।
৩। আপনার সিমে একটি মেসেজ আসবে যেটিতে আপনাকে একটি অস্থায়ী পিন দেওয়া হবে।

এই পিন দিয়ে নিম্নোক্ত উপায়ে আপনার পিন পরিবর্তন/রিসেট করুনঃ
১। *২৪৭# এই নাম্বারে ডায়াল করবেন।
২। এবার মাই বিকাশ অপশনের জন্য ৭ লিখে সেন্ড করবেন।
৩। তারপরে চেঞ্জ মোবাইল মেনু পিন এর জন্য ৩ লিখে সেন্ড করবেন।
৪। এবার আপনার মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে আসা পিন নাম্বারটি লিখে সেন্ড করবেন।
৫। নতুন পিন লিখে সেন্ড করুন। এরপরে পিনটি কনফার্ম করার জন্য আবার পিনটি লিখে সেন্ড করবেন।

কোন পদ্ধতিটি ভালো?

কল করে পিন রিসেটের জন্য টাকা লাগে, কিন্ত লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে কোন টাকা লাগে না। তবে দুটি পদ্ধতিই একেক ক্ষেত্রে ভালো। 

আপনি যদি খুব কম সময়ের মধ্যেই পিন রিসেট করতে চান তাহলে কল করা সেরা উপায়। কারণ এই পদ্ধতিতে কাস্টমার সার্ভিসের এজেন্টের সঙ্গে কথা বলার পরপরই আপনি পিন রিসেট করতে পারবেন। কিন্ত লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে পিন রিসেট করতে অনেক সময় লাগে। এই পদ্ধতিতে লাইভ চ্যাট করার অনেক সময় পরে আপনার মোবাইলে বা সিমে অস্থায়ী পিনের মেসেজ আসে এবং এই মেসেজ যেকোন সময় আসতে পারে। যেহেতু অস্থায়ী পিনের মেয়াদ মাত্র ১ ঘন্টা, তাই যদি আপনি কোন কারণে আপনার পিন পরিবর্তন করতে ব্যার্থ হন তাহলে আপনাকে নতুন করে পিন রিসেটের জন্য আবেদন করতে হবে। 

এজন্য টাকা বিবেচনায় আনলে পদ্ধতি-২ঃ লাইভ চ্যাট ভালো ও লাভজনক এবং সময় বিবেচনায় আনলে পদ্ধতি-১ঃ কল করে যোগাযোগের মাধ্যমে সুবিধাজনক ও ভালো।

পড়তে পারেনঃ জিমেইল একাউন্ট ও গুগল একাউন্ট খোলার পদ্ধতি