Showing posts with label বিকাশ. Show all posts
Showing posts with label বিকাশ. Show all posts

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেট করার ২টি উপায়

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেট করার ২টি উপায়

বিকাশের পিন ভুলে গেলে বা লক হলে পিন রিসেট কেন করবেন?

আমরা যখন বিকাশ অ্যাপ এ আমাদের নাম্বার দিয়ে লগইন করতে চাই তখন বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার দেওয়া লাগে এবং এই পিন নাম্বার কয়েকবার ভুল ইনপুট দেওয়ার কারণে পিন লক হয়ে যায়। এছাড়াও অন্য কোন উপায়ে হয়তো পিন লক হয়ে যায়। পিন লক হয়ে গেলে বিকাশের বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস যেমনঃ সেন্ড মানি, ক্যাশ আউট, রিচার্জ, ক্যাশ ইন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় না। এছাড়াও আমরা অনেক সময় আমাদের বিকাশের পিন ভুলে যাই। উপরোক্ত সকল সমস্যার সমাধানই হচ্ছে বিকাশ একাউন্টের পিন রিসেট করা। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন রিসেট করবেন।

পিন রিসেটের জন্য দুইটি পদ্ধতি রয়েছে। যথাঃ
১। বিকাশ কাস্টমার সার্ভিসে কল করে যোগাযোগের মাধ্যমে
২। বিকাশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট করে

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেটের পদ্ধতি-১ঃ কাস্টমার সার্ভিসে কল করে

বিকাশের কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করার জন্য ১৬২৪৭ এ কল করতে হবে। ১৬২৪৭ এ কল করার  পরে আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য বিভিন্ন সংখ্যা চাপতে বলা হবে। আপনি এসব শুনে বিকাশ কাস্টমার সার্ভিসের এজেন্টের সাথে কথা বলার জন্য নির্দিস্ট সংখ্যা চাপবেন। তারপরে ওই প্রতিনিধিকে আপনি আপনার পিন রিসেট করার কথা বলবেন। বিকাশ কাস্টমার সার্ভিসের ওই এজেন্ট আপনার কাছে আপনার কিছু তথ্য যেমনঃ আপনার পরিচয়পত্রের(NID) নাম্বার, আপনার নাম, আপনার একাউন্টের বর্তমান ব্যালেন্স, সর্বশেষ ক্যাশ আউট বা ক্যাশ ইন ইত্যাদি জানতে চাইবে। উপরোক্ত সকল বিষয়ই হয়তো জানতে চাইবে না, এর মধ্যে কিছু বিষয় জানতে চাইবে অথবা অন্য কিছু জানতে চাইবে। তখন আপনি ওই প্রতিনিধির জানতে চাওয়া বিষয়গুলো বলবেন। তারপরেই আপনার সিম নাম্বারে একটি অস্থায়ী পিন সম্বলিত মেসেজ আসবে।

তারপরের ধাপগুলো হলোঃ
১। *২৪৭# এই নাম্বারে ডায়াল করবেন।
২। এবার মাই বিকাশ অপশনের জন্য ৭ লিখে সেন্ড করবেন।
৩। তারপরে চেঞ্জ মোবাইল মেনু পিন এর জন্য ৩ লিখে সেন্ড করবেন।
৪। এবার আপনার মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে আসা পিন নাম্বারটি লিখে সেন্ড করবেন।
৫। নতুন পিন লিখে সেন্ড করুন। এরপরে পিনটি কনফার্ম করার জন্য আবার পিনটি লিখে সেন্ড করবেন।





নতুন পিন দেওয়ার শর্ত

১। নতুন পিন নাম্বারে সর্বশেষ অর্থাৎ পুরাতন পিন নাম্বারের যেকোন তিনটি নাম্বার থাকতে পারবেনা। ২। নতুন পিন নাম্বারে একই নাম্বার দুইবার থাকতে পারবেনা। যেমনঃ ১ দুইবার থাকতে পারবেনা। উদাহরণঃ ধরি, পুরাতন পিন নাম্বার ৩৪৭৫৬
অতএব, নতুন পিন নাম্বার ১৬২৯৭।

আপনার পিন রিসেট এর কাজ শেষ। এবার এই পিন নাম্বার দিয়ে আপনি আপনার সকল কাজ কর্ম করবেন।

বিকাশের পিন ভুলে গেলে পিন রিসেটের পদ্ধতি-২ঃ বিকাশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট করে

বিকাশের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পরে নিম্নের ছবির মতো একটি উইন্ডো আসবে। এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনার পিনটি রিসেট করে নিন।
বিকাশ লাইভ চ্যাট উইন্ডো
বিকাশ লাইভ চ্যাট উইন্ডো

ধাপ-১

বিকাশ লাইভ চ্যাটের উইন্ডোর মধ্যে নিচের ছবিতে দেখানো জায়গায় ১ চিহ্নিত বক্সে আপনি আপনার নাম, ২ চিহ্নিত বক্সে আপনার মোবাইল নাম্বার ও এরপরে ৩ চিহ্নিত Start Chat লেখা বাটনে ক্লিক করুন। তবে এখানে আপনার বিকাশ একাউন্ট যে নাম্বার দিয়ে খুলেছেন সেই নাম্বার ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম দেওয়া ভালো।
বিকাশ পিন রিসেট করার উপায়

তারপরে এরকম একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে।


বিকাশের পিন কোড লক হলে পিন রিসেট করার উপায়

অথবা চ্যাট করার জন্য এরকম একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে।


বিকাশের পিন কোড ভুলে গেলে পিন রিসেট করার উপায়

এবার ধাপ-২ এ চলে যান।

ধাপ-২

চ্যাট এর উইন্ডো আসার পরে আপনি এখানে একজন বিকাশ এজেন্টের সাথে চ্যাট করার সুযোগ পাবেন। এখন আপনি আপনার সমস্যার কথা বলবেন ওই এজেন্টকে।

রিসেটের ক্ষেত্রে যা বলবেনঃ
১। প্রথমে আপনি বলবেন যে আপনার পিন রিসেট করতে চান।
২। এরপরে আপনি যে নাম্বার দিয়ে চ্যাট করছেন সেই নাম্বারটির পিন রিসেট করতে চান কিনা তা ওই এজেন্ট জানতে চাইবে। আপনি যদি সেই নাম্বার দিয়েই চ্যাট করেন তাহলে হ্যা বলবেন। আপনি যেই নাম্বার রিসেট করতে চান সেই নাম্বার দিয়ে চ্যাট করুন।
৩। আপনার সিমে একটি মেসেজ আসবে যেটিতে আপনাকে একটি অস্থায়ী পিন দেওয়া হবে।

এই পিন দিয়ে নিম্নোক্ত উপায়ে আপনার পিন পরিবর্তন/রিসেট করুনঃ
১। *২৪৭# এই নাম্বারে ডায়াল করবেন।
২। এবার মাই বিকাশ অপশনের জন্য ৭ লিখে সেন্ড করবেন।
৩। তারপরে চেঞ্জ মোবাইল মেনু পিন এর জন্য ৩ লিখে সেন্ড করবেন।
৪। এবার আপনার মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে আসা পিন নাম্বারটি লিখে সেন্ড করবেন।
৫। নতুন পিন লিখে সেন্ড করুন। এরপরে পিনটি কনফার্ম করার জন্য আবার পিনটি লিখে সেন্ড করবেন।

কোন পদ্ধতিটি ভালো?

কল করে পিন রিসেটের জন্য টাকা লাগে, কিন্ত লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে কোন টাকা লাগে না। তবে দুটি পদ্ধতিই একেক ক্ষেত্রে ভালো। 

আপনি যদি খুব কম সময়ের মধ্যেই পিন রিসেট করতে চান তাহলে কল করা সেরা উপায়। কারণ এই পদ্ধতিতে কাস্টমার সার্ভিসের এজেন্টের সঙ্গে কথা বলার পরপরই আপনি পিন রিসেট করতে পারবেন। কিন্ত লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে পিন রিসেট করতে অনেক সময় লাগে। এই পদ্ধতিতে লাইভ চ্যাট করার অনেক সময় পরে আপনার মোবাইলে বা সিমে অস্থায়ী পিনের মেসেজ আসে এবং এই মেসেজ যেকোন সময় আসতে পারে। যেহেতু অস্থায়ী পিনের মেয়াদ মাত্র ১ ঘন্টা, তাই যদি আপনি কোন কারণে আপনার পিন পরিবর্তন করতে ব্যার্থ হন তাহলে আপনাকে নতুন করে পিন রিসেটের জন্য আবেদন করতে হবে। 

এজন্য টাকা বিবেচনায় আনলে পদ্ধতি-২ঃ লাইভ চ্যাট ভালো ও লাভজনক এবং সময় বিবেচনায় আনলে পদ্ধতি-১ঃ কল করে যোগাযোগের মাধ্যমে সুবিধাজনক ও ভালো।

পড়তে পারেনঃ নিজের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারদের দেখার উপায়